যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্যি রাজার পুণ্য দেশ।।যদি বর্ষে ফাগুনে, রাজা যায় মাগুনে।।

খনা

সকাল শোয় সকাল ওঠে তার কড়ি না বৈদ্য লুটে।

খনা

আলো হাওয়া বেঁধো না রোগে ভোগে মরো না।

খনা

যে চাষা খায় পেট ভরে গরুর পানে চায় না ফিরে গরু না পায় ঘাস পানি ফলন নাই তার হয়রানি।

খনা

খনা ডেকে বলে যান রোদে ধান ছায়ায় পান।

খনা

গাছগাছালি ঘন রোবে না গাছ হবে তার ফল হবে না।

খনা

হাত বিশ করি ফাঁক আম কাঁঠাল পুঁতে রাখ।

খনা

বিশ হাত করি ফাঁক, আম কাঁঠাল পুঁতে রাখ। গাছ গাছি ঘন রোবে না, ফল তাতে ফলবে না।

খনা

যদি না হয় আগনে বৃষ্টি তবে না হয় কাঁঠালের সৃষ্টি।

খনা

যদি না হয় আগনে পানি, কাঁঠাল হয় টানাটানি।

খনা

যত জ্বালে ব্যঞ্জন মিষ্ট তত জ্বালে ভাত নষ্ট।

খনা

যে না শোনে খনার বচন সংসারে তার চির পচন।

খনা

শোনরে বাপু চাষার পো সুপারী বাগে মান্দার রো৷ মান্দার পাতা পচলে গোড়ায় ফড়ফড়াইয়া ফল বাড়ায়৷

খনা

মঙ্গলে ঊষা বুধে পা যথা ইচ্ছা তথা যা।

খনা

চাষী আর চষা মাটি এ দু'য়ে হয় দেশ খাঁটি।

খনা

গাছে গাছে আগুন জ্বলে বৃষ্টি হবে খনায় বলে।

খনা

জ্যৈষ্ঠে খরা, আষাঢ়ে ভরা শস্যের ভার সহে না ধরা।

খনা

আষাঢ় মাসে বান্ধে আইল তবে খায় বহু শাইল।

খনা

আষাঢ়ে পনের শ্রাবণে পুরো ধান লাগাও যত পারো।

খনা

তিন শাওনে পান এক আশ্বিনে ধান।

খনা

পটল বুনলে ফাগুনে ফলন বাড়ে দ্বিগুণে।

খনা

ফাগুনে আগুন, চৈতে মাট বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।

খনা

লাঙ্গলে না খুঁড়লে মাটি, মই না দিলে পরিপাটি ফসল হয় না কান্নাকাটি।

খনা

সবলা গরু সুজন পুত রাখতে পারে খেতের জুত।

খনা

গরু-জরু-ক্ষেত-পুতা চাষীর বেটার মূল সুতা।

খনা

সবল গরু, গভীর চাষ তাতে পুরে চাষার আশ।

খনা

শোন শোন চাষি ভাই সার না দিলে ফসল নাই।

খনা

হালে নড়বড়, দুধে পানি লক্ষ্মী বলে চললাম আমি।

খনা

আগে বাঁধবে আইল তবে রুবে শাইল।

খনা

গাছ-গাছালি ঘন রোবে না গাছ হবে তাতে ফল হবে না।

খনা

খরা ভুয়ে ঢালবি জল সারাবছর পাবি ফল।

খনা

ষোল চাষে মূলা, তার অর্ধেক তুলা তার অর্ধেক ধান, তার অর্ধেক পান, খনার বচন, মিথ্যা হয় না কদাচন।

খনা

ডাঙ্গা নিড়ান বান্ধন আলি তাতে দিও নানা শালি।

খনা

কাঁচা রোপা শুকায় ভুঁইয়ে ধান ভুঁইয়ে লুটায়।

খনা

বার পুত, তের নাতি তবে কর কুশার ক্ষেতি।

খনা

তাল বাড়ে ঝোঁপে খেজুর বাড়ে কোপে।

খনা

গাজর, গন্ধি, সুরী তিন বোধে দূরী।

খনা

খনা বলে শোনভাই তুলায় তুলা অধিক পাই।

খনা

ঘন সরিষা পাতলা রাই নেংগে নেংগে কার্পাস পাই।

খনা

বারো মাসে বারো ফল না খেলে যায় রসাতল।

খনা

ফল খেয়ে জল খায়জম বলে আয় আয়।

খনা

চাষে মুলা তার অর্ধেক তুলা তার অর্ধেক ধান বিনা চাষে পান।

খনা

বিপদে পড় নহে ভয়; অভিজ্ঞতায় হবে জয়।

খনা

উত্তর দুয়ারি ঘরের রাজা দক্ষিণ দুয়ারি তাহার প্রজা। পূর্ব দুয়ারির খাজনা নাই পশ্চিম দুয়ারির মুখে ছাই।।

খনা

নিজের বেলায় আটিঁগাটি, পরের বেলায় চিমটি কাটি।

খনা

পুকুরে তে পানি নাই, পাতা কেনো ভাসে যার কথা মনে করি সেই কেনো হাসে ?

খনা

ভাত দেবার মুরোদ নাই, কিল দেবার গোসাঁই।

খনা

নদীর জল ঘোলাও ভালো, জাতের মেয়ে কালোও ভালো।

খনা

থাক দুখ পিতে,(পিত্তে) ঢালমু দুখ মাঘ মাসের শীতে।

খনা

কি কর শ্বশুর মিছে খেটে ফাল্গুনে এঁটে পোত কেটে বেড়ে যাবে ঝাড়কি ঝাড় কলা বইতে ভাংগে ঘাড়।

খনা

ভাদরে করে কলা রোপন স্ববংশে মরিল রাবণ।

খনা

গো নারিকেল নেড়ে রো আমা টুকরা কাঁঠাল ভো।

খনা

সুপারীতে গোবর, বাশে মাটি অফলা নারিকেল শিকর কাটি।

খনা

খনা বলে শুনে যাও নারিকেল মুলে চিটা দাও গাছ হয় তাজা মোটা তাড়াতাড়ি ধরে গোটা।

খনা

ডাক ছেড়ে বলে রাবণ কলা রোবে আষাঢ় শ্রাবণ।

খনা

পূর্ব আষাঢ়ে দক্ষিণা বয় সেই বৎসর বন্যা হয়।

খনা

মংগলে উষা বুধে পা যথা ইচ্ছা তথা যা।

খনা

পুত্র ভাগ্যে যশ কন্যা ভাগ্যে লক্ষী।

খনা

উঠান ভরা লাউ শসা ঘরে তার লক্ষীর দশা।

খনা

বামুন বাদল বান দক্ষিণা পেলেই যান।

খনা

বেঙ ডাকে ঘন ঘন শীঘ্র হবে বৃষ্টি জান।

খনা

আউশ ধানের চাষ লাগে তিন মাস।

খনা

যদি বর্ষে গাল্গুনে চিনা কাউন দ্বিগুনে।

খনা

যদি হয় চৈতে বৃষ্টি তবে হবে ধানের সৃষ্টি।

খনা

চালায় চালায় কুমুড় পাতা লক্ষ্মী বলেন আছি তথা।

খনা

আখ আদা রুই এই তিন চৈতে রুই।

খনা

চৈত্রে দিয়া মাটি বৈশাখে কর পরিপাটি।

খনা

চৈত্র মাটি নববর্ষ খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

দাতার নারিকেল, বখিলের বাঁশ কমে না বাড়ে বারো মাস।

খনা

ক্ষণার বচন খনার বচন।

খনা

সোমে ও বুধে না দিও হাত ধার করিয়া খাইও ভাত।

খনা

জৈষ্ঠতে তারা ফুটে তবে জানবে বর্ষা বটে।

খনা

বাঁশের ধারে হলুদ দিলে খনা বলে দ্বিগুণ বাড়ে।

খনা

গাই পালে মেয়ে দুধ পড়ে বেয়ে।

খনা

শুনরে বাপু চাষার বেটা মাটির মধ্যে বেলে যেটা তাতে যদি বুনিস পটল তাতে তোর আশার সফল।

খনা

মাঘ মাসে বর্ষে দেবা রাজ্য ছেড়ে প্রজার সেবা।

খনা

চৈতের কুয়া আমের ক্ষয় তাল তেঁতুলের কিবা হয়।

খনা

আমে ধান তেঁতুলে বান।

খনা

হইবো পুতে ডাকবো বাপ তয় পুরবো মনর থাপ।

খনা

পারেনা ল ফালাইতে উইঠা থাকে বিয়ান রাইতে।

খনা

যদি বর্ষে মাঘের শেষ ধন্যি রাজার পুণ্যি দেশ।

খনা

সূর্যের চেয়ে বালি গরম!! নদীর চেয়ে প্যাক ঠান্ডা!!

খনা

সমানে সমানে দোস্তি সমানে সমানে কুস্তি।

খনা

হোলা গোশশা অইলে বাশশা, মাইয়া গোশশা অইলে বেইশশা।

খনা

মেয়ে নষ্ট ঘাটে, ছেলে নষ্ট হাটে।

খনা

যদি থাকে বন্ধুরে মন গাং সাঁতরাইতে কতক্ষণ।

খনা

কাল ধানের ধলা পিঠা, মা'র চেয়ে মাসি মিঠা।

খনা

পরের বাড়ির পিঠা খাইতে বড় ই মিঠা।

খনা

ঘরের কোনে মরিচ গাছ লাল মরিচ ধরে, তোমার কথা মনে হলে চোখের পানি পড়ে!

খনা

সোল বোয়ালের পোনা, যার যারটা তার তার কাছে সোনা।

খনা

ছায়া ভালো ছাতার তল, বল ভালো নিজের বল।

খনা

যা করিবে বান্দা তা-ই পাইবে। সুই চুরি করিলে কুড়াল হারাইবে।

খনা

খালি পেটে পানি খায় যার যার বুঝে খায়।

খনা

তেলা মাথায় ঢালো তেল, শুকনো মাথায় ভাঙ্গ বেল।

খনা

চৈত্রে চালিতা, বৈশাখে নালিতা, আষাড়ে......... ভাদ্রে তালের পিঠা। আর্শ্বিনে ওল, কার্তিকে কৈয়ের ঝুল।

খনা

নববর্ষ খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ পিঠা।

খনা

মিললে মেলা। না মিললে একলা একলা ভালা!

খনা

সাত পুরুষে কুমাড়ের ঝি, সরা দেইখা কয়, এইটা কি?

খনা

না পাইয়া পাইছে ধন; বাপে পুতে কীর্তন।

খনা

কাচায় না নোয়ালে বাশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস!

খনা

যুগরে খাইছে ভূতে বাপরে মারে পুতে।

খনা

দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ।

খনা

যাও পাখি বলো তারে সে যেন ভুলেনা মোরে।

খনা

ফুল তুলিয়া রুমাল দিলাম যতন করি রাখিও। আমার কথা মনে ফইল্লে রুমাল খুলি দেখিও।

খনা

একে তে নাচুনী বুড়ি, তার উপর ঢোলের বারি।

খনা

চোরের মার বড় গলা লাফ দিয়ে খায় গাছের কলা।

খনা

ভাই বড়ো ধন, রক্তের বাঁধন যদি ও পৃথক হয়, নারীর কারন।

খনা

জ্যৈষ্ঠে শুকো আষাঢ়ে ধারা। শস্যের ভার না সহে ধরা।

খনা

যদি হয় সুজন এক পিড়িতে নয় জন। যদি হয় কুজন নয় পিড়িতে নয় জন।

খনা

হাতিরও পিছলে পাও। সুজনেরও ডুবে নাও।

খনা

গাঙ দেখলে মুত আসে নাঙ দেখলে হাস আসে (নাঙ মানে - স্বামী)

খনা

ক্ষেত আর পুত। যত্ন বিনে যমদূত।।

খনা

গরু ছাগলের মুখে বিষ। চারা না খায় রাখিস দিশ ।।

খনা

আকাশে কোদালীর বাউ। ওগো শ্বশুড় মাঠে যাও।। মাঠে গিয়া বাঁধো আলি। বৃষ্টি হবে আজি কালি।।

খনা

যদি ঝরে কাত্তি। সোনা রাত্তি রাত্তি।।

খনা

আষাঢ়ের পানি। তলে দিয়া গেলে সার। উপরে দিয়া গেলে ক্ষার।।

খনা

গাঁ গড়ানে ঘন পা। যেমন মা তেমন ছা।। থেকে বলদ না বয় হাল, তার দুঃখ সর্ব্বকাল।

খনা

যে চাষা খায় পেট ভরে। গরুর পানে চায় না ফিরে। গরু না পায় ঘাস পানি। ফলন নাই তার হয়রানি।।

খনা

গরুর পিঠে তুললে হাত। গিরস্থে কভু পায় না ভাত।। গাই দিয়া বায় হাল দু:খ তার চিরকাল।

খনা

দিন থাকতে বাঁধে আল। তবে খায় তিন শাল।। বারো পুত তেরো নাতি। তবে করো বোরো খেতি।।

খনা

মেঘ করে রাত্রে হয় জল। তবে মাঠে যাওয়াই বিফল।।

খনা

যদি থাকে টাকা করবার গোঁ। চৈত্র মাসে ভুট্টা দিয়ে রো।।

খনা

হলে ফুল কাট শনা। পাট পাকিলে লাভ দ্বিগুণা।।

খনা

পাঁচ রবি মাসে পায়, ঝরা কিংবা খরায় যায়।

খনা

খনা বলে শুন কৃষকগণ হাল লয়ে মাঠে বেরুবে যখন শুভ দেখে করবে যাত্রা না শুনে কানে অশুভ বার্তা। ক্ষেতে গিয়ে কর দিক নিরূপণ, পূর্ব দিক হতে হাল চালন নাহিক সংশয় হবে ফলন।

খনা

ভরা হতে শুন্য ভাল যদি ভরতে যায়, আগে হতে পিছে ভাল যদি ডাকে মায়। মরা হতে তাজা ভাল যদি মরতে যায়, বাঁয়ে হতে ডাইনে ভাল যদি ফিরে চায়। বাঁধা হতে খোলা ভাল মাথা তুলে চায়, হাসা হতে কাঁদা ভাল যদি কাঁদে বাঁয়।

খনা

কি করো শ্বশুর লেখা জোখা, মেঘেই বুঝবে জলের রেখা। কোদাল কুড়ুলে মেঘের গাঁ, মধ্যে মধ্যে দিচ্ছে বা। কৃষককে বলোগে বাঁধতে আল, আজ না হয় হবে কাল।

খনা

বার বছরে ফলে তাল, যদি না লাগে গরু নাল।

খনা

এক পুরুষে রোপে তাল, অন্য পুরুষি করে পাল। তারপর যে সে খাবে, তিন পুরুষে ফল পাবে।

খনা

নিত্যি নিত্যি ফল খাও, বদ্যি বাড়ি নাহি যাও।

খনা

চৈত্রেতে থর থর বৈশাখেতে ঝড় পাথর জ্যৈষ্ঠতে তারা ফুটে তবে জানবে বর্ষা বটে।

খনা

সুপ্রভাত নববর্ষ বর্ষা খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

সাত হাতে, তিন বিঘাতে কলা লাগাবে মায়ে পুতে। কলা লাগিয়ে না কাটবে পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।

খনা

দিনের মেঘে ধান, রাতের মেঘে পান

খনা

বেল খেয়ে খায় পানি, জির বলে মইলাম আমি

খনা

আম খেয়ে খায় পানি, পেঁদি বলে আমি ন জানি

খনা

শুধু পেটে কুল, ভর পেটে মূল।

খনা

চৈতে গিমা তিতা, বৈশাখে নালিতা মিঠা, জ্যৈষ্ঠে অমৃতফল আষাঢ়ে খৈ, শায়নে দৈ। ভাদরে তালের পিঠা, আশ্বিনে শশা মিঠা, কার্তিকে খৈলসার ঝোল, অগ্রাণে ওল। পৌষে কাঞ্ছি, মাঘে তেল, ফাল্গুনে পাকা বেল।

খনা

অগ্নি নববর্ষ ফাগুন খনার বচন ফাল্গুন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

তিন নাড়ায় সুপারী সোনা, তিন নাড়ায় নারকেল টেনা, তিন নাড়ায় শ্রীফল বেল, তিন নাড়ায় গেরস্থ গেল।

খনা

আম লাগাই জাম লাগাই কাঁঠাল সারি সারি- বারো মাসের বারো ফল নাচে জড়াজড়ি।

খনা

তাল, তেঁতুল, কুল তিনে বাস্তু নির্মূল।

খনা

ঘোল, কুল, কলা তিনে নাশে গলা।

খনা

আম নিম জামের ডালে দাঁত মাজও কুতুহলে।

খনা

সকল গাছ কাটিকুটি কাঁঠাল গাছে দেই মাটি।

খনা

শাল সত্তর, আসন আশি জাম বলে পাছেই আছি। তাল বলে যদি পাই কাত বার বছরে ফলে একরাত।

খনা

পূর্ণিমা আমাবস্যায় যে ধরে হাল, তার দুঃখ হয় চিরকাল। যার বলদের হয় বাত, তার ঘরে না থাকে ভাত। খনা বলে আমার বাণী, যে চষে তার হবে জানি।

খনা

ভাদরের চারি আশ্বিনের চারি, কলাই রোব যত পারি।

খনা

ফাল্গুন না রুলে ওল, শেষে হয় গণ্ডগোল।

খনা

মাঘে মুখী, ফাল্গুনে চুখি, চৈতে লতা, বৈশাখে পাতা।

খনা

নববর্ষ খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

সরিষা বনে কলাই মুগ, বুনে বেড়াও চাপড়ে বুক।

খনা

গোবর দিয়া কর যতন, ফলবে দ্বিগুণ ফসল রতন।

খনা

খনা বলে চাষার পো শরতের শেষে সরিষা রো।

খনা

সেচ দিয়ে করে চাষ, তার সবজি বার মাস।

খনা

তিনশ ষাট ঝাড় কলা রুয়ে থাকগা চাষি মাচায় শুয়ে, তিন হাত অন্তর এক হাত খাই কলা পুতগে চাষা ভাই।

খনা

বৎসরের প্রথম ঈশানে বয়, সে বৎসর বর্ষা হবে খনা কয়।

খনা

শুনরে বেটা চাষার পো, বৈশাখ জ্যৈষ্ঠে হলুদ রো। আষাঢ় শাওনে নিড়িয়ে মাটি,ভাদরে নিড়িয়ে করবে খাঁটি। হলুদ রোলে অপর কালে, সব চেষ্টা যায় বিফলে।

খনা

নববর্ষ খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

পান লাগালে শ্রাবণে, খেয়ে না কুলায় রাবণে।

খনা

ফাল্গুনে আগুন চৈতে মাটি, বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।

খনা

ভাদ্র আশ্বিনে বহে ঈশান, কাঁধে কোদালে নাচে কৃষাণ।

খনা

বৈশাখের প্রথম জলে, আশুধান দ্বিগুণ ফলে।

খনা

নববর্ষ খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

বাড়ীর কাছে ধান পা, যার মার আগে ছা। চিনিস বা না চিনিস, ঘুঁজি দেখে কিনিস।

খনা

শীষ দেখে বিশ দিন, কাটতে কাটতে দশদিন। ওরে বেটা চাষার পো, ক্ষেতে ক্ষেতে শালী রো।

খনা

খনা ডাকিয়া কন, রোদে ধান ছায়ায় পান।

খনা

তপ্ত অম্ল ঠাণ্ডা দুধ যে খায় সে নির্বোধ।

খনা

ডাক দিয়ে বলে মিহিরের স্ত্রী, শোন পতির পিতা, ভাদ্র মাসে জলের মধ্যে নড়েন বসুমাতা। রাজ্য নাশে, গো নাশে, হয় অগাধ বান, হাতে কাটা গৃহী ফেরে কিনতে না পান ধান।

খনা

ফাল্গুনে আট, চৈতের আট, সেই তিল দায়ে কাট।

খনা

উনো বর্ষায় দুনো শীত।

খনা

দিনে রোদ রাতে জল; দিন দিন বাড়ে ধানের বল।

খনা

আউশের ভুই বেলে, পাটের ভুঁই আটালে।

খনা

অঙ্কস্য বামা গতি।

খনা

ডাকে পাখী, না ছাড়ে বাসা, খনা বলে, সেই তো ঊষা।

খনা

যদি বর্ষে কাতি, রাজা বাঁধে হাতি।

খনা

যদি অশ্বি কুয়া ধরে, তবে ধানগাছে পোকা ধরে।

খনা

হাঁচি জেটি পড়ে যবে, অষ্ট গুণ তার লভ্য না হবে।

খনা

কিল আর তেল পড়লেই গেল।

খনা

বাঁশ মরে ফুলত, মানুষ মরে ভুলত।

খনা

পৌষের কুয়া বৈশাখের ফল। য'দ্দিন কুয়া ত'দ্দিন জল। শনিতে সাত মঙ্গলে/(বুধ) তিন। আর সব দিন দিন।

খনা

নববর্ষ খনার বচন বাঙালি বৈশাখ ক্ষণার বচন পহেলা বৈশাখ।

খনা

আমি অটনাচার্যের বেটি গনতে গাঁথতে কারে বা আঁটি।

খনা

ক্ষেত আর পুত, যত্ন বিনে যমদূত।

খনা

বাদল বামুন বান, দক্ষিণা পেলেই যান।

খনা

পাঁচ রবি মাসে পায়। ঝরায় কিংবা খরায় পায়।

খনা

খনা বলে শুনে যাও নারিকেল মুলে চিটা দাও গাছ হয় তাজা মোটা তাড়াতাড়ি ধরে গোটা।

খনা

শূন্য কলসী শুকনা না, শুকনা ডালে ডাকে কাক। যদি দেখ মাকুন্দ চোপা, এক পা না যেও বাপ।

খনা

চৈত্রে কুয়াশা ভাদ্রে বান।। সেই বর্ষে মরক জানচৈত্রে কুয়াশা ভাদ্রে বান।। সেই বর্ষে মরক জান।

খনা